ইরানকে শায়েস্তা করতে নতুন দাওয়াইয়ের কথা ভাবছে আমেরিকা। আকাশপথে ‘অবাধ্য’ তেহরানকে জব্দ করতে চাইছে হোয়াইট হাউস। সেই কারণে ইরানের বাণিজ্যিক বিমান চলাচলে রাশ টানার কৌশল নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের বিমানসংস্থার বিমানকে অবতরণ করার অনুমতি দিলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে বিভিন্ন দেশকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা।
আমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “গোটা বিশ্বে ইরানের সমস্ত ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।” চলতি সপ্তাহ থেকেই এই পদক্ষেপ করা হবে বলে জানান তিনি। কী ভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করবে, তার ব্যাখ্যা দিয়ে বেসেন্ট অন্য দেশগুলির উদ্দেশে বলেন, “যদি ইরানের বিমান অবতরণ করতে চায়, নামতে দেবেন না। তাদের টিকিট বিক্র করবেন না। জ্বালানি ভরার সুযোগও দেবেন না। যদি এগুলি না-করেন, তা হলে ডলারে লেনদেনের ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হবেন।”
প্রসঙ্গত, রাশিয়ার মতো ইরানকে অর্থনৈতিক উপায়ে জব্দ করতে চাইছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই ইরানের বিমানসংস্থার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে চাইছে তারা। আমেরিকার হুঁশিয়ারির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই ইরানের বিমান ওঠানামা নিষিদ্ধ করেছে ইরাক। সংবাদসংস্থা এএফপি ইরাকের দু’টি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে।
জর্জিয়া আপাতত নিজেদের দেশে ইরানের কোনও বাণিজ্যিক বিমানকে অবতরণ করার অনুমতি দিচ্ছে না। ইরানের বিমানসংস্থা ‘মাহান’ জানিয়েছে, তুরস্ক সরকারের অনুরোধে তারা সে দেশে বিমান পরিষেবা দেওয়া স্থগিত রেখেছে। প্রসঙ্গ ইরানের বিমানসংস্থাগুলি বিমান রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রপাতি আমদানি ইত্যাদি নানা কারণে অন্য দেশগুলির উপর নির্ভরশীল। বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে চিনের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক বেশ মসৃণ। চলতি সপ্তাহেই আমেরিকায় যাচ্ছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠকেও ইরান প্রসঙ্গ উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চিন কতটা আমেরিকার দেওয়া ফরমান মেনে নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
অন্য দিকে, জাতিসংঘের সাধারণ সভার বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম আমেরিকা সফর। জাতিসংঘের সাধারণ সভার বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে আমেরিকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও। মঙ্গলবার তাঁর নিউ ইয়র্কে পৌঁছোনোর কথা। ইরানের ‘মেহ্র’ সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সাধারণ সভায় বক্তৃতা করবেন পেজেশকিয়ান।
আমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “গোটা বিশ্বে ইরানের সমস্ত ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।” চলতি সপ্তাহ থেকেই এই পদক্ষেপ করা হবে বলে জানান তিনি। কী ভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করবে, তার ব্যাখ্যা দিয়ে বেসেন্ট অন্য দেশগুলির উদ্দেশে বলেন, “যদি ইরানের বিমান অবতরণ করতে চায়, নামতে দেবেন না। তাদের টিকিট বিক্র করবেন না। জ্বালানি ভরার সুযোগও দেবেন না। যদি এগুলি না-করেন, তা হলে ডলারে লেনদেনের ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হবেন।”
প্রসঙ্গত, রাশিয়ার মতো ইরানকে অর্থনৈতিক উপায়ে জব্দ করতে চাইছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই ইরানের বিমানসংস্থার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে চাইছে তারা। আমেরিকার হুঁশিয়ারির প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই ইরানের বিমান ওঠানামা নিষিদ্ধ করেছে ইরাক। সংবাদসংস্থা এএফপি ইরাকের দু’টি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে।
জর্জিয়া আপাতত নিজেদের দেশে ইরানের কোনও বাণিজ্যিক বিমানকে অবতরণ করার অনুমতি দিচ্ছে না। ইরানের বিমানসংস্থা ‘মাহান’ জানিয়েছে, তুরস্ক সরকারের অনুরোধে তারা সে দেশে বিমান পরিষেবা দেওয়া স্থগিত রেখেছে। প্রসঙ্গ ইরানের বিমানসংস্থাগুলি বিমান রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রপাতি আমদানি ইত্যাদি নানা কারণে অন্য দেশগুলির উপর নির্ভরশীল। বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে চিনের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক বেশ মসৃণ। চলতি সপ্তাহেই আমেরিকায় যাচ্ছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠকেও ইরান প্রসঙ্গ উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চিন কতটা আমেরিকার দেওয়া ফরমান মেনে নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
অন্য দিকে, জাতিসংঘের সাধারণ সভার বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম আমেরিকা সফর। জাতিসংঘের সাধারণ সভার বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে আমেরিকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও। মঙ্গলবার তাঁর নিউ ইয়র্কে পৌঁছোনোর কথা। ইরানের ‘মেহ্র’ সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সাধারণ সভায় বক্তৃতা করবেন পেজেশকিয়ান।
আন্তজার্তিক ডেস্ক